OrdinaryITPostAd

ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ -ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক চিকিৎসা

আপনি যদি ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার কেন হয় ,ব্রেস্ট ক্যান্সারের বা স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ,ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক চিকিৎসা ও সনাক্তকরণ পরীক্ষা,ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের টিকা ,ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের স্টেজ ২ বাঁচার হার কত দিন এ সম্পর্কে যদি আপনি বিস্তারিত জানতে চান। 

তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য আপনি যদি এই পোস্টটি পড়া সম্পন্ন করতে পারেন তাহলে ব্রেস্ট ক্যান্সারের বা স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।


পোস্ট সূচিপত্র -ব্রেস্ট ক্যান্সারের বা স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ -ব্রেস্ট ক্যান্সারের বা স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক চিকিৎসা 

ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার কেন হয় - 

ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার এই ঘাতক ব্যাধি।ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এই ক্যান্সার রোগভালো হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই বেড়ে যায় ।পুরো বিশ্বে নারীদের ক্যান্সার আক্রান্ত হচ্ছে তাদের সাথে বাংলাদেশেরের নারীরাও ক্যান্সারের মধ্য শীর্ষস্থান দখল করেছে এবং হুহু করে বেড়ে চলেছে।

কিন্তু বাংলাদেশের নারীরা দুই থেকে তিন বছর আগেও বেশিরভাগ নারী জরায়ু ক্যান্সারে ভুগতেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে এটা দখল করে নিয়েছে স্তন ক্যান্সার ।ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার নারীদের কাছে একটা আতঙ্কের নাম। পুরুষের চেয়ে নারীদের ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি। নারীদের ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার হওয়ার অন্যতম কারণ নারীরা তাদের গোপন অঙ্গের কথা সহজে কাউকে বলতে চাই না।

আরো পড়ুন - ক্যান্সার হলে মানুষ কত দিন বাঁচে

তার জন্য নারীরা ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের মতো জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ নারী তার নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন না।ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের আক্রান্ত হওয়ার  বিভিন্ন কারণে রয়েছে। যেসব মায়েরা নিজের সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়ান না তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের অনেকাংশেই বেড়ে যাই।

আমেরিকার গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন ক্যান্সারের  কারণে রয়েছে বিভিন্ন। এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের বিভিন্ন লক্ষণও রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম,বগলে লালচে ভাব,লে লালচে ভাব,স্থানে ব্যথা অনুভব,স্থানের চারপাশে গুটি গুটি।

নারীরা ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের আক্রান্ত হন সবচেয়ে বেশি। জন্য নারীদের সবচেয়ে বেশি সচেতন থাকতে হবে। কারণ একটি সুস্থ সবল মা একজন সুস্থ সবল সন্তানকে জন্ম দিতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ নারী তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন না। তাছাড়া বাংলাদেশের ৭৫ শতাংশ নারী রোগ হলে ডাক্তারের কাছে যেতে চায় না।

আপনি যদি স্বাস্থ্য-চিকিৎসা সম্পর্কে তথ্য জানতে চান তাহলে টিপস পাবলিশ ওয়েব সাইটে ভিজিট করুন

প্রতি বছর বাংলাদে ১৬ হাজার নারীব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের মত জটিল ও কঠিন রোগে ভোগেন। আর এর মধ্যে মারা যান ৭ হাজারের মত। কারণ তারা ক্যান্সার হলে চিকিৎসার পরামর্শ নিতে চায় না এবং অন্য কোন কারণেও তারা ডাক্তারের কাছে যেতে চাই না। আমাদের বাংলাদেশে ৪২ বছর পর নারীদেরব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকেংশে বেড়ে যায়।

ব্রেস্ট ক্যান্সারের বা স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ ও করনীয় -

প্রথমত ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী আমাদের জীবনযাত্রা অমূল্য পরিবর্তন।অন্যান্য সব রোগের লক্ষণের মতো ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারেরও লক্ষণ রয়েছে ।ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ ও কারণ গুলো তুলে ধরা হলো - 

  • ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের প্রধান কারণ হচ্ছে আজকাল আমরা প্রচুর ফাস্টফুড খাবার জন্য।
  • পেটে ছড়ালে পেটে ব্যথা হয় ও জন্ডিস দেখা দেয় ।
  • ফুসফুসে ছড়ালে অতিরিক্ত কাশি দেখা দেয় এবং কাশির সঙ্গে রক্ত বের হয় ।
  • স্তনের মধ্যে রং পরিবর্তন হওয়া ।
  • চামড়া মোটা হয়ে কমলা লেবুর খোসার মত হয়ে যাওয়া।
  • স্তনের বোটা ভেতরে দেবে যাওয়া।
  • স্তন দিয়ে রক্ত বা পুজ পড়া।
  • সবুজ শাকসবজি খুব কম খাওয়া হয়ে থাকে।
  •  আমরা খুবই কম পরিশ্রম করা।
  • দেরিতে সন্তান নেওয়া।
  • এই শিশুকে মায়ের দুধ না খাওয়ানো ।
  • গড় আয়ু বেড়ে যাওয়াতে ।
  • বগলের তলে চাকা চাকা দেখা দেয় ।

ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক চিকিৎসা ও সনাক্তকরণ পরীক্ষা - 

প্রাথমিক পর্যায়ে ডাক্তাররা রোগির রোগের সমস্ত history নিয়ে থাকেন। শারীরিক সমস্ত পরীক্ষা করেন। বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের সনাক্তকরণ করা হয়। রোগের বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাক্তাররা তার পরীক্ষা করে থাকেন যেমন - আল্ট্রাসনোগ্রাফি,মেমোগ্রাফি, বায়োপসি /মাংস পরীক্ষা,এম আর আই,fnac পরীক্ষা ইত্যাদি।

আরো পড়ুন - ক্যান্সার রোগের খাবারের তালিকা

ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে শতকরা ৮০-৮৫ ভাগ নারীকে সুস্থ করা যায়।ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা সাধারণত কয়েক ভাগে ভাগ করা হয় যেমন - হরমোন থেরাপি,টার্গেটেড থেরাপি,রেডিওথেরাপি , কেমোথেরাপি ও সার্জারি ইত্যাদি।

সার্জারি - ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের রোগীর যেকোনো পর্যায়ে রোগীর সার্জারি করা যেতে পারে।ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের সার্জারি করা যাবে কিনা বা কি ধরনের সার্জারি প্রয়োজন হবে তা প্রাথমিক পর্যায়ের বিবেচ্য বিষয়। ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের সার্জারিতে সিদ্ধান্ত নেবেন সাজন এবং ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ দুজনে মিলে ।ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের সার্জারিতে অনেক সময় শুধু টিউমার কেটে ফেলে দিলে হয় না অনেক সময় স্তন কেটে ফেলে দিতে হয়।

কেমোথেরাপি - ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের রোগীকে প্রায় কেমোথেরাপি নিতে হয়। সার্জারির আগে ও পরে স্তন ক্যান্সার বা শরীরে যে কোন স্থানে ক্যান্সার সরিয়ে পড়লেও কেমোথেরাপি কাজ করে। যদিও ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার  রোগ সারাতে রোগীকে কেমো থেরাপি দেওয়ার ফলে রোগীর শরীরে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাছাড়াও রোগীকে সুস্থ করে তোলার জন্য কেমোথেরাপির কোন  বিকল্প নেই।

ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের রোগী স্বাস্থ্য অবস্থা বিবেচনা করে,কেমোথেরাপির কার্যকারিতা দেখে , রোগীর  আর্থিক অবস্থা দেখে,ক্যান্সার চিকিৎসক উপযুক্ত পরামর্শ দেন। কেমোথেরাপি যেন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা না দেয় তার দিকেও চিকিৎসকদের খেয়াল রাখতে হয়।

রেডিও থেরাপি - একজন চিকিৎসক  বিশেষ ধরনের মেশিন এর মাধ্যমে ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের রোগিদের রেডিও থেরাপি দিয়ে থাকেন। রেডিও থেরাপ ির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে অনেক কম। সাধারণত বিশেষজ্ঞরা কেমোথেরাপি দেয়ার পরই রেডিও থেরাপি দিয়ে থাকেন। স্তন ক্যান্সার হলে শুধু স্থানেই থেরাপি দেয়া হয় না পুরো শরীরে যদি ছড়িয়ে পড়ে পুরো শরীরে দেওয়া হয়।

হরমোন থেরাপি - ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের সব রোগীদের জন্য হরমোন থেরাপি দেওয়ার দরকার হয় না। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার রোগের হরমোন ছেলেকে লাগবে কিনা তার শনাক্ত করেন। তারপর ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সারের রোগীকে হরমোন থেরাপি  দিয়ে থাকেন।

আরো পড়ুন - ক্যান্সার কেন হয় - ক্যান্সার রোগের ওষুধের নাম

টার্গেটেড থেরাপি - টার্গেটেড থেরাপি ক্যান্সার রোগীদের জন্য এক নতুন সম্ভাবনা বা দিগন্ত উন্মোচন করেছেন সৃষ্টি করেছে।যেমন - Bevacizumab,Transtyuumab,Lapatinib ইত্যাদি

করনীয় - ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য আমাদের সকলের Breast Cancer Screening খুবই জরুরী। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ও সি কৃষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ ব্যাপারে নারী -পুরুষ সবারই জানা উচিত এবং এটি একটি প্রোগ্রামের আওতায় আনা উচিত। আমাদের বাংলাদেশের মানুষ যদি ক্যান্সার সম্পর্কে প্রাথমিক পর্যায়ে জানতে পারে তাহলে প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিয়ে তারা খুবই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪